চাঁদপুর আল আমিন একাডেমিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা

উপজেলা সংবাদ চাঁদপুর সদর প্রধান সংবাদ ১

চাঁদপুর আল আমিন একাডেমিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা

স্টাফ রিপোর্টার : চাঁদপুর আল আমিন একাডেমি স্কুল অ্যান্ড কলেজে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-শিক্ষক মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন চাঁদপুর আল আমিন একাডেমি স্কুল অ্যান্ড কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো. মোবারক হোসাইন। তিনি বলেন, আল আমিন একাডেমি কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নয়। প্রতিষ্ঠান থেকে যে আয় হবে, তা শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ব্যয় করা হবে।

তিনি শিক্ষকদের যথাযথ প্রস্তুতি নিয়ে শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁর মতে, শিক্ষকরা নিয়ম মেনে প্রস্তুতি নিয়ে ক্লাসে অংশ নেওয়ায় প্রতিষ্ঠানের ভালো ফলাফল অর্জন সম্ভব হয়েছে।

মো. মোবারক হোসাইন বলেন, শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে। নৈতিক প্রশিক্ষণ ও ব্যক্তিত্বের বিকাশ ছাড়া একটি জাতির কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব নয়। আল আমিন একাডেমির শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও দক্ষতার দিক থেকে বিকশিত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ম্যানেজিং কমিটির সদস্য, বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ ও সমাজসেবক মো. বিল্লাল হোসেন মিয়াজী এবং অ্যাডভোকেট শাহজাহান মিয়া।

আল আমিন একাডেমি স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও চাঁদপুর মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডা. আসিফ ইকবাল, মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মহিউদ্দীন সরকার এবং কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির প্রভাষক রুবাইয়া ইসলাম রুহি।

সিনিয়র শিক্ষক প্রভাষক জয়নাল আবেদীনের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন ম্যানেজিং কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট শাহজাহান খান, উপাধ্যক্ষ মো. রুহুল আমিন, সহকারী প্রধান শিক্ষক ফারুকুল ইসলাম এবং সহকারী শিক্ষক মোশাররফ হোসেন।

বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে চলার পাশাপাশি সুস্থ দেহ ও সুস্থ মন গঠনে গুরুত্ব দিতে হবে। শুধু পরীক্ষার ফলাফল নয়, শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক বিকাশও নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

এ জন্য পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন মেধা প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের সুযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে অভিভাবক ও শিক্ষকদের শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশে আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *