বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির শাহরাস্তি উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কার্যকরী কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে। সংগঠনের গঠনতন্ত্রের ৩৬ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. আবুল কাসেম এবং সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন স্বাক্ষরিত অনুমোদনপত্রে এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। নতুন কমিটিতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মকবুল আহমেদ মজুমদার এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন পারভীন সুলতানা লাজলী।
নতুন কমিটি ঘোষণার পর শাহরাস্তি উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সমাজের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষক নেতা ও শুভানুধ্যায়ীরা নবগঠিত কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ সকল সদস্যকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
অনুমোদিত কমিটির নির্বাহী সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. জয়নাল আবেদীন। সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে রয়েছেন মোহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস লিটন, মোহাম্মদ রুহুল আমিন ও নাজমা বেগম। সহ-সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন মো. আলী আক্কাস পাটোয়ারী, মো. শিবলী সাজ্জাদ, মো. হেলাল উদ্দিন, হামিদা বেগম এবং ইভা রানী দে।
এছাড়া নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে হুমায়ুন কবির, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মো. বাহারুল ইসলাম ও আফরোজা আক্তার রুমা এবং যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে মো. জাকির হোসেন, মো. তাজুল ইসলাম ও আসমা হাসিনা নির্বাচিত হয়েছেন। কমিটিতে সাংগঠনিক, অর্থ, দপ্তর, শিক্ষা, সাহিত্য, ধর্ম, সংস্কৃতি, প্রচার, সমাজকল্যাণ, আইসিটি, ক্রীড়া, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য, আইন, পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন সম্পাদকীয় পদে ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কাঠামো গঠন করা হয়েছে।
নবনির্বাচিত সভাপতি মকবুল আহমেদ মজুমদার বলেন, কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাদের ওপর যে আস্থা রেখেছে, তা রক্ষায় সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন। শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি-দাওয়া আদায়, পেশাগত মর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা পালনই হবে নতুন কমিটির প্রধান লক্ষ্য।
সাধারণ সম্পাদক পারভীন সুলতানা লাজলী বলেন, শিক্ষকদের অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে একটি শক্তিশালী ও জবাবদিহিমূলক সংগঠন গড়ে তুলতে তারা সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করবেন। একই সঙ্গে শিক্ষাবান্ধব বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে উপজেলা শাখার কার্যক্রম আরও গতিশীল করার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন।
কমিটি অনুমোদনের পর উপজেলার বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন নেতৃত্ব শিক্ষক সমাজের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা, পেশাগত মর্যাদা রক্ষা, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

