স্টাফ রিপোর্টার : ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের উদ্যোগে ‘পেশা হিসেবে খেলাধুলা: বাংলাদেশে সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই অনুষ্ঠানে খেলাধুলায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্য অর্জনকারী ডিআইইউর অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থীকে সম্মাননা দেওয়া হয়।
সোমবার সাভারের বিরুলিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ সেমিনার ও পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এম আর কবির। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আমেনা বেগম, বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)-এর মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফ উল্লাহ, এনডিসি, পিএসসি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মাসুম ইকবাল।
বিশ্ববিদ্যালয়ের হেলথ অ্যান্ড লাইফ সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এস এম মাহাবুব উল হক মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোহেল।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান শারমিন আক্তার শান্তা এবং সহকারী অধ্যাপক আবদুস সালাম।
ফুটবল, ক্রিকেট, হকি, ভলিবল, সাঁতার, জিমন্যাস্টিকস, বক্সিং, অ্যাথলেটিক্স ও মার্শাল আর্টে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় ডিআইইউর অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থীকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
সেমিনারে বক্তারা বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুস্থ, সুন্দর, আত্মবিশ্বাসী, দক্ষ ক্রীড়াবিদ ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে তরুণদের শারীরিক, মানসিক ও নৈতিক বিকাশে সহায়তার পাশাপাশি তাদের সুপ্ত ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ, বাছাই এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে মেধা বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করা প্রয়োজন।
বক্তারা জানান, এ লক্ষ্য সামনে রেখে দেশব্যাপী ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬’ এবং ‘প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা ২০২৬’ চালু করছে সরকার। তাদের মতে, এসব উদ্যোগ সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের প্রতিফলন।
সেমিনারে চতুর্থ শ্রেণি থেকে পাঠ্যসূচিতে ক্রীড়া বিষয় বাধ্যতামূলক করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ের সব অ্যাথলেটের জন্য বেতন কাঠামো নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়।
দেশে ক্রীড়ার মানোন্নয়নে আরও বেশি বিশেষায়িত ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান বক্তারা।

