স্টাফ রিপোর্টার : চাঁদপুর শহরের উপকণ্ঠে ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজি (আইএমটি) থেকে প্রধান সড়কে ওঠা এবং মহাসড়ক পারাপারে ঝুঁকিতে পড়ছেন শিক্ষার্থী ও প্রশিক্ষণার্থীরা। দ্রুতগতির যানবাহন চলাচল এবং প্রতিষ্ঠানের সামনের সড়কের ঝুঁকিপূর্ণ সংযোগস্থলের কারণে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে তাদের।
ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজি (আইএমটি) জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান। চাঁদপুর শহরের উপকণ্ঠে ইসলামপুর গাছতলা এলাকায় ডাকাতিয়া নদীর তীরে এবং গাছতলা ব্রিজের ঠিক ডান পাশে প্রতিষ্ঠানটির অবস্থান।
সরেজমিনে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটির সামনের সড়কটি চাঁদপুর-লক্ষ্মীপুর হাইওয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। সংযোগস্থলটি প্রায় ১৭০ ডিগ্রি কোণে বাঁক নিয়েছে। তবে সেখানে সম্পূর্ণ ইউটার্নের মতো বাঁক না থাকায় এবং সড়কের ঢাল বেশি হওয়ায় যানবাহন ও শিক্ষার্থীদের চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
গাছতলা ব্রিজের তুলনায় মেরিন একাডেমির অবস্থান অনেক নিচু হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি থেকে প্রধান সড়কে উঠতেও শিক্ষার্থী ও যানবাহনকে সমস্যায় পড়তে হয়।
অন্যদিকে, প্রতিষ্ঠানটি মহাসড়কের পাশে হওয়ায় ওই সড়ক দিয়ে উচ্চগতিতে যানবাহন চলাচল করে। ফলে শিক্ষার্থীদের রাস্তা পারাপারের সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।
এ পরিস্থিতিতে ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজির অধ্যক্ষ মো. আক্তার হোসেন গত ১২ আগস্ট চাঁদপুর সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে লিখিত অভিযোগ দেন।
এ ছাড়া তিনি চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমানের কাছেও বিষয়টি তুলে ধরেন। জেলা প্রশাসক সমস্যাটি সম্পর্কে অবগত আছেন এবং এ বিষয়ে অচিরেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে কলেজ অধ্যক্ষ জানান।
লিখিত আবেদনে সড়কের সংযোগস্থলে স্পিড ব্রেকার, পথচারীদের নিরাপদ পারাপারের জন্য জেব্রা ক্রসিং এবং মিরর রিফ্লেক্টরসহ প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সরঞ্জাম স্থাপনের দাবি জানানো হয়েছে।
জানা গেছে, ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজিতে বর্তমানে প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থী ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে অধ্যয়ন করছেন। পাশাপাশি অসংখ্য প্রশিক্ষণার্থী বিভিন্ন স্বল্পমেয়াদি কোর্সে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন।
শিক্ষার্থী ও প্রশিক্ষণার্থীদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে বলে আশা প্রকাশ করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

