২৫ বছর পর ১১ শতাংশ জমি নিয়ে বিরোধ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

২৫ বছর পর ১১ শতাংশ জমি নিয়ে বিরোধ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

উপজেলা সংবাদ চাঁদপুর সদর প্রধান সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার : চাঁদপুর সদর উপজেলার ৫ নম্বর রামপুর ইউনিয়নের বড় সুন্দর মৌজায় ১১ শতাংশ জমি নিয়ে দীর্ঘ ২৫ বছর পর বিরোধ দেখা দিয়েছে। জমির ক্রেতাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলে থাকা ওই সম্পত্তি থেকে তাদের উচ্ছেদের চেষ্টা এবং হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন তারা।

ভুক্তভোগীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০০৩ সালের ২৩ অক্টোবর বড় সুন্দর মৌজার জেএল নং-৪৭, খতিয়ান নং-১৭৯-এর অন্তর্ভুক্ত ১১ শতাংশ জমি ক্রয়ের জন্য প্রস্তাব করা হয়। পরে জমিটি ক্রয় করেন মোঃ ফজলুর রহমান মিজী, পিতা—মৃত মোঃ জালাল উদ্দিন মিজী এবং মোঃ শাহ আলম মিজী, পিতা—মোঃ ফজলুর রহমান মিজী।

ক্রেতাদের দাবি, জমি কেনার পর তৎকালীন মালিক মৃত অ্যাডভোকেট তোফায়েল আহমেদ আপস-বণ্টনের মাধ্যমে তাদের সম্পত্তিটি বুঝিয়ে দেন। এরপর থেকে তারা ওই জমি ভোগদখল করে আসছেন। সংশ্লিষ্ট দাগে তাদের ১১ শতাংশ জমি বর্তমানে দখলে রয়েছে বলেও দাবি তাদের।

তবে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন শান্তিপূর্ণভাবে জমি ভোগদখলে থাকার পর সম্প্রতি মৃত অ্যাডভোকেট তোফায়েল আহমেদের ওয়ারিশগণ ওই সম্পত্তির মালিকানা দাবি করছেন। তারা জমি থেকে উচ্ছেদের চেষ্টা করার পাশাপাশি বিভিন্ন সময় হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ফজলুর রহমান মিজী ও তার বড় ছেলে শাহ আলম মিজী দীর্ঘদিন ধরে ওই জমি ভোগদখল করে আসছেন। তবে সম্পত্তিটির মালিকানা ও দখল নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ অব্যাহত রয়েছে।

ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, স্থানীয়ভাবে বিষয়টি সমাধানের জন্য একাধিকবার তোফায়েল আহমেদের ওয়ারিশদের আলোচনায় বসার আহ্বান জানানো হয়েছে। কিন্তু বিরোধটি স্থায়ীভাবে মীমাংসার জন্য কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

এ অবস্থায় জমি নিয়ে যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা। একই সঙ্গে জমিটির প্রকৃত মালিকানা ও বৈধ কাগজপত্র যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে মৃত অ্যাডভোকেট তোফায়েল আহমেদের ওয়ারিশদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *