হাজীগঞ্জ খাদ্য গুদামে সরকারি কাজে বাধার অভিযোগ, জিডির আবেদন

হাজীগঞ্জ খাদ্য গুদামে সরকারি কাজে বাধার অভিযোগ, জিডির আবেদন

উপজেলা সংবাদ প্রধান সংবাদ হাজীগঞ্জ উপজেলা

স্টাফ রিপোর্টার : চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ খাদ্য গুদামে সরকারি ধান সংগ্রহ ও মজুদ কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার আবেদন করা হয়েছে। গুদামের দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা মো. মনির হোসেন এ বিষয়ে জেলা পুলিশ প্রশাসনের কাছে লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মো. মনির হোসেন ২০২৫ সালের ৫ নভেম্বর হাজীগঞ্জ খাদ্য গুদামে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি বিভিন্ন সময়ে সরকারি কার্যক্রমে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং হয়রানিমূলক আচরণ করে আসছেন বলে অভিযোগ করেছেন।

লিখিত আবেদনে হাজীগঞ্জ উপজেলার মকিমাবাদ এলাকার মো. সবুজ এবং কাজিরগাঁও এলাকার দিদারুল আশনকে অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, গত ১৬ জুন সকাল প্রায় ১১টার দিকে খাদ্য গুদামে কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ ও সংরক্ষণের কার্যক্রম চলছিল। এ সময় অভিযুক্তরা নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিজেদের ধান গুদামে মজুদের চেষ্টা করেন। বিষয়টি নিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে তাদের বাকবিতণ্ডা এবং ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে বলে দাবি করা হয়েছে।

আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, একপর্যায়ে অভিযুক্তরা জোরপূর্বক গুদামের প্রধান ফটক খুলে ধানবাহী মালামাল ভেতরে প্রবেশ করান। এ সময় বাধা দিলে দায়িত্বরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় খাদ্য গুদামের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে বলে দাবি করে অভিযোগকারী বলেন, সরকারি কাজে প্রতিবন্ধকতা এবং ভবিষ্যতে সম্ভাব্য অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে বিষয়টি সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মো. সবুজ ও দিদারুল আশনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের মতামত জানার চেষ্টা করা হলেও সংবাদ লেখা পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, সরকারি খাদ্য সংগ্রহ কর্মসূচির আওতায় কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান সংগ্রহ ও মজুদ কার্যক্রম পরিচালনা করে খাদ্য বিভাগ। এ ধরনের কার্যক্রমে বাধা বা অনিয়মের অভিযোগ প্রশাসনিকভাবে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়ে থাকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *