শাখাওয়াত হোসেন মিন্টু : ফরিদগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে সক্রিয় ভূমিকা রেখে আলোচনায় এসেছেন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ হুমায়ূন কবির। দায়িত্ব নেওয়ার পর গত পাঁচ মাসে মাদকবিরোধী অভিযানে বাদী হয়ে তিনি ৫০টির বেশি মামলা করেছেন। এ ছাড়া আরও ৫০টির অধিক মাদক মামলায় সহযোগী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন বলে জানিয়েছে ফরিদগঞ্জ থানা সূত্র।
থানা সূত্র জানায়, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই মাদকবিরোধী অভিযানকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছেন এসআই মোহাম্মদ হুমায়ূন কবির। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা, মাদকদ্রব্য উদ্ধার এবং মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে তিনি কাজ করছেন।
এসব অভিযানের মধ্যে ফরিদগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পরিচালিত একটি বিশেষ অভিযান স্থানীয়ভাবে বেশি আলোচনায় আসে। ওই অভিযানে ২ হাজার পিস ইয়াবাসহ এক মা ও ছেলেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়।
ধারাবাহিক মাদকবিরোধী অভিযানে মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের ঘটনায় স্থানীয়ভাবে প্রশংসা পেয়েছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা। স্থানীয়দের দাবি, তার নেতৃত্ব ও অংশগ্রহণে পরিচালিত অভিযানের কারণে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদক কারবারিদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন সমাজের প্রতিনিধিরা জানান, পুলিশের নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযানের ফলে এলাকায় মাদক কারবারিদের তৎপরতা নিয়ন্ত্রণে আসছে। মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের তৎপরতা সাধারণ মানুষের মধ্যেও স্বস্তি তৈরি করেছে।
তবে মাদক নির্মূলে শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান যথেষ্ট নয় বলেও মনে করেন স্থানীয়রা। এ জন্য পুলিশের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও মাদকের বিরুদ্ধে সচেতন ও সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. এরশাদ উল্যাহ বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে থানার পুলিশের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক কারবারি ও এর সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, মাদক নির্মূলে পুলিশের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সহযোগিতাও প্রয়োজন। এসআই মোহাম্মদ হুমায়ূন কবিরসহ থানার পুলিশ সদস্যরা মাদকবিরোধী অভিযানে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করছেন। মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক কারবারিদের আইনের আওতায় আনা হবে।

