প্রতারণার মামলায় কারাগারে পিন্টু দাস
স্টাফ রিপোর্টার : চট্টগ্রামের পটিয়া থেকে স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ উদ্ধার হওয়ার একদিন পর প্রতারণার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে চাঁদপুরের স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাসকে। শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে তাকে চাঁদপুর আদালতে সোপর্দ করে সদর মডেল থানা পুলিশ। পরে আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফয়েজ আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশের ভাষ্য, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পিন্টু দাস বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে প্রায় ২৫ লাখ টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় চাঁদপুর সদর উপজেলার রঘুনাথপুর এলাকার ভুক্তভোগী রাসেল খানের অভিযোগের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা করা হয়। ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত ২০ আগস্ট থেকে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে আত্মগোপনে ছিলেন পিন্টু দাস। দীর্ঘ সময় তার দোকান ও বাসা তালাবদ্ধ থাকায় বিষয়টি নিয়ে চাঁদপুরে আলোচনা শুরু হয়।
পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা এবং মালামাল বহনকারী একটি ট্রাকের চালকের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাদের অবস্থান শনাক্ত করে পুলিশ। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ভোরে চট্টগ্রামের পটিয়া থানার দলঘাট দাসপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে পিন্টু দাসসহ তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে উদ্ধার করা হয়।
চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান জানান, পিন্টু দাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলেও তার পরিবারের অন্য সদস্যদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। এ কারণে তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে স্বজনদের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, প্রতারণার মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। পিন্টু দাসের বিরুদ্ধে আরও কেউ অভিযোগ করেছেন কি না এবং প্রতারণার মাধ্যমে নেওয়া অর্থের পরিমাণ ২৫ লাখ টাকার চেয়ে বেশি কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

