দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির লক্ষ্যে ডিআইআইটির স্থায়ী ক্যাম্পাসের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির লক্ষ্যে ডিআইআইটির স্থায়ী ক্যাম্পাসের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

চাঁদপুর সদর জাতীয় সংবাদ স্লাইড

স্টাফ রিপোর্টার : রাজধানীর মান্ডা এলাকার গ্রিন মডেল টাউনে ডেফোডিল ইনস্টিটিউট অব আইটি (ডিআইআইটি)-এর নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাসের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষাগত সম্প্রসারণ, উদ্ভাবন এবং দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির লক্ষ্যে নতুন এক মাইলফলক স্পর্শ করেছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ.এস.এম. আমানুল্লাহ। সভাপতিত্ব করেন ডেফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টিবোর্ড এবং ড্যাফোডিল গ্রুপের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ডিআইআইটির গভর্নিং বডির সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল আমিন, ড্যাফোডিল পরিবারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ নুরুজ্জামান, ডিআইআইটির উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মো. মোস্তফা কামাল, অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষাবিদ, প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থী এবং শুভানুধ্যায়ীরা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ.এস.এম. আমানুল্লাহ বলেন, দেশের সর্ববৃহৎ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমানে দক্ষতাভিত্তিক ও কর্মমুখী শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি জানান, ক্রমবর্ধমান বেকারত্ব হ্রাস এবং আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা পূরণে প্রতিবছর দুই লাখ দক্ষ গ্র্যাজুয়েট তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে বছরে ৫০ হাজার কারিগরি দক্ষতাসম্পন্ন নারী ফ্রিল্যান্সার তৈরির কার্যক্রমও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, শুধুমাত্র সংযুক্ত আরব আমিরাতেই হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট খাতে বছরে প্রায় ২৫ হাজার দক্ষ গ্র্যাজুয়েটের প্রয়োজন হয়। এ ধরনের বৈশ্বিক চাহিদা পূরণে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ডিআইআইটির মতো প্রতিষ্ঠান অতীতে যেমন দক্ষ গ্র্যাজুয়েট তৈরিতে অবদান রেখেছে, ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সভাপতির বক্তব্যে ড. মো. সবুর খান বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য ছিল দেশের তৃণমূল পর্যায়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়ন ছাড়া স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক কর্মবাজারে টিকে থাকা কঠিন। তাই স্কিল ডেভেলপমেন্টকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ডিআইআইটির নতুন স্থায়ী ক্যাম্পাস আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ সুযোগ-সুবিধা নিয়ে গড়ে তোলা হবে। এতে শিক্ষাদান, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশের জন্য একটি সমৃদ্ধ পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়নে অবদান রাখার যে অঙ্গীকার ডিআইআইটি দীর্ঘদিন ধরে বহন করে আসছে, নতুন ক্যাম্পাস সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

উল্লেখ্য, ডেফোডিল ইনস্টিটিউট অব আইটি (ডিআইআইটি) দেশের একটি স্বনামধন্য উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান। মানসম্মত শিক্ষা, উদ্ভাবন, উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং শিল্প-প্রাসঙ্গিক দক্ষতা অর্জনে শিক্ষার্থীদের সক্ষম করে তুলতে প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *