স্টাফ রিপোর্টার : চাঁদপুর জেলার অর্ধশতাধিক গ্রামে মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে ঈদুল আজহা উদযাপিত হয়েছে। বুধবার সকালে জেলার বিভিন্ন এলাকায় ধর্মীয় উৎসাহ ও আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা হাফিজিয়া মাদ্রাসা মাঠে সকাল ৮টায় প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
প্রথম জামাতে ইমামতি করেন সাদ্রা দরবার শরিফের পীরজাদা মুফতি আরিফ চৌধুরী। পরে সকাল ৯টায় সাদ্রা দরবার শরিফ মাঠে দ্বিতীয় জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন দরবারের পীর মাওলানা জাকারিয়া চৌধুরী আল মাদানি।
ঈদের জামাতে অংশ নিতে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মুসল্লিরা সমবেত হন। জামাত শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
মাওলানা জাকারিয়া চৌধুরী আল মাদানি বলেন, দেশের যেকোনো স্থানে চাঁদ দেখার ভিত্তিতে তারা ঈদ উদযাপন করে থাকেন। তিনি আরও বলেন, আরাফার রোজা ও হজ পালনের সময় বিবেচনায় তাদের অনুসারীরা নির্ধারিত দিনেই ঈদ উদযাপন করছেন।
জানা যায়, ১৯২৮ সালে সাদ্রা দরবার শরিফের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম আল্লামা ইসহাক চৌধুরী (রহ.) এই ধর্মীয় রীতি ও আগাম ঈদ উদযাপনের প্রচলন শুরু করেন। পরবর্তীতে তাঁর সন্তান ও অনুসারীরা সেই ধারাবাহিকতা অনুসরণ করে আসছেন।
চাঁদপুরের বিভিন্ন এলাকায় প্রতিবছরের মতো এবারও পৃথকভাবে ঈদ উদযাপনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যায়। বিশেষ করে হাজীগঞ্জ উপজেলার কয়েকটি গ্রামে সকাল থেকেই ঈদের আমেজ বিরাজ করে।

