মতলব দক্ষিণে দাখিলে পাসের হার ৩৮.৬৮ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে একজন

মতলব দক্ষিণে দাখিলে পাসের হার ৩৮.৬৮ শতাংশ

উপজেলা সংবাদ মতলব দক্ষিণ উপজেলা

মতলব দক্ষিণে দাখিলে পাসের হার ৩৮.৬৮ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে একজন

মতলব দক্ষিণে দাখিলে পাসের হার ৩৮.৬৮ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে একজনজাহাঙ্গীর আলম প্রধান : মতলব দক্ষিণে দাখিলে পাসের হার মাত্র ৩৮.৬৮ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে একজন

২০২৫ সালের দাখিল পরীক্ষায় মতলব দক্ষিণ উপজেলার ফলাফল প্রত্যাশার তুলনায় অনেকটাই হতাশাজনক হয়েছে।

উপজেলার ১৭টি মাদরাসা থেকে মোট ৫১৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলেও পাস করেছে মাত্র ২০০ জন।

এতে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৩৮.৬৮ শতাংশ। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো,

শুধুমাত্র একজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে,

যিনি কাচিয়ারা জামালিয়া আলিম মাদরাসার।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন মাদরাসার ফলাফল নিচে তুলে ধরা হলো—

মতলব দারুল উলুম ইসলামীয়া ফাযিল মাদরাসা: ৪২ জনের মধ্যে পাস করেছে ২৫ জন, পাসের হার ৫৯.৫২%।

নন্দিখোলা ইসলামীয় ফাযিল মাদরাসা: ৩৫ জনের মধ্যে পাস ১২ জন, পাসের হার ৩৪.২৯%।

কালিয়াইশ ইসলামীয় ফাযিল মাদরাসা: ৪২ জন পরীক্ষার্থী, পাস করেছে ২০ জন।

নওগাঁও রাশেদিয়া ফাযিল মাদরাসা: ৩৭ জনের মধ্যে মাত্র ৮ জন পাস করেছে, পাসের হার ২১.৬২%।

ঘিলাতলী সামাদিয়া কাসেমুল উলুম কামিল মাদরাসা: ৪৩ জনের মধ্যে ৩১ জন পাস, পাসের হার ৭২.০৯% (উপজেলায় সর্বোচ্চ)। খর্গপুর ফাযিল মাদরাসা: ৩৯ জনের মধ্যে পাস করেছে ১৪ জন, পাসের হার ৩৫.৯০%।

কাচিয়ারা জামালিয়া আলিম মাদরাসা: ৪০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৮ জন পাস, পাসের হার ৪৫% এবং এখান থেকেই এসেছে একমাত্র জিপিএ-৫। দক্ষিণ করবন্দ আল-আমিন দাখিল মাদরাসা: ২৪ জনে পাস করেছে মাত্র ২ জন, পাসের হার ৮.৩৩%।

ধনারপাড় ইসলামীয় দাখিল মাদরাসা: ৩২ জনে পাস ৬ জন, পাসের হার ১৮%। পূর্ব ধলাইতলী এ জেআইডি মাদরাসা: ১১ জনের মধ্যে পাস ৪ জন, পাসের হার ৩৬.৩৬%। কালিকাপুর আদর্শ দাখিল মাদরাসা: ৭১ জনে পাস ২৫ জন, পাসের হার ৩৫.২১%। ঘোড়াধারী ইসলামীয় দাখিল মাদরাসা: ২২ জনে পাস ৬ জন, পাসের হার ২৭.২৭%।

বদরপুর ওএস দাখিল মাদরাসা: ২৮ জনে পাস ৭ জন, পাসের হার ২৫%। দিঘলদী জাফরিয়া দাখিল মাদরাসা: ২২ জনে পাস ১০ জন, পাসের হার ৪৫.৪৫%।

রসূলপুর আননিছা দাখিল মাদরাসা: ২০ জনে পাস ৮ জন, পাসের হার ৪০%। নাগদা সূফী আহমদ দাখিল মাদরাসা: ২ জন অংশ নিয়ে দুজনই পাস করেছে, পাসের হার ১০০%।

উপাদী ইসলামীয়া দাখিল মাদরাসা: ৮ জনে পাস ২ জন, পাসের হার ২৫%।

বিশেষজ্ঞদের মন্তব্য

এই ফলাফলের মাধ্যমে স্পষ্ট যে, উপজেলার বেশিরভাগ মাদরাসায় শিক্ষার মান এবং প্রস্তুতির ঘাটতি রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগত সহায়তা, মানসম্পন্ন পাঠদান ও পর্যাপ্ত মনিটরিংয়ের অভাব এই ফলাফলের জন্য দায়ী হতে পারে।

স্থানীয় অভিভাবক ও শিক্ষানুরাগীরা চাইছেন,

আগামী বছরগুলোতে ফলাফল উন্নত করতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো যেন আরও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করে।

Daily Chandpur Sangbad

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *