চাঁদপুরে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় ঈদুল ফিতর উদযাপন
স্টাফ রিপোর্টার : চাঁদপুরে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনায় ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়েছে।
এক মাস সিয়াম সাধনার পর আনন্দঘন মুহূর্ত নিয়ে এসেছে ঈদুল ফিতর।
চাঁদপুরের আটটি উপজেলায় বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে মুসলমানদের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসবটি।
জেলার প্রতিটি মসজিদ ও ঈদগাহে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা নামাজ আদায় করেন।
জেলার ৪,৮৭২টি মসজিদের মধ্যে প্রায় ৫০০টি পাঞ্জেগানা মসজিদ, আর বাকিগুলো জামে মসজিদ।
এসব মসজিদ ও সংলগ্ন ঈদগাহ ময়দানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
ঈদের নামাজ শেষে মুসলমানরা পরস্পরের সঙ্গে কুশল বিনিময়, কোলাকুলি ও আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
এ সময় দেশ, জাতি এবং ফিলিস্তিনসহ সারা বিশ্বের শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়।
ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে পড়েছে পুরো জেলায়। রেডিও-টেলিভিশনে বেজে উঠেছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী গান, ‘ও মন রমজানের ওই রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ’। ঈদকে ঘিরে চাঁদপুরের প্রতিটি পরিবারে ছিল বিশেষ আয়োজন। বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে গিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন অনেকে।
চাঁদপুরের ঐতিহ্যবাহী হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদে তিনটি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রথম জামাত সকাল ৭টায়, দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টায় এবং শেষ জামাত বেলা ১০টায় অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া জেলার বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রমজান মাস মুসলমানদের জন্য আত্মশুদ্ধির শিক্ষা দেয় এবং ঈদুল ফিতর সেই আত্মশুদ্ধির আনন্দের প্রতিফলন। ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবাই এই আনন্দ ভাগাভাগি করেন, যা সামাজিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধকে আরও দৃঢ় করে। ঈদুল ফিতর কেবল একটি উৎসব নয়, এটি পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার এক অনন্য উপলক্ষ।

