চাঁদপুরের ৩জনসহ হজে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ২২ বাংলাদেশি
স্টাফ রিপোর্টার : চাঁদপুরের ৩জনসহ হজে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ২২ বাংলাদেশি।
তাঁদের মধ্যে ২০ জন পুরুষ এবং ২ জন নারী। মৃত্যুর এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে নিহতদের পরিবার ও স্বজনদের মাঝে।
সর্বশেষ মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে গতকাল মঙ্গলবার (১০ জুন)। সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার গোলাম মোস্তফা (৫৮) হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ ব্যবস্থাপনা পোর্টালের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, এই ২২ জনের মধ্যে মক্কায় মারা গেছেন ১৪ জন, মদিনায় ৭ জন এবং আরাফায় একজন।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, এবার হজযাত্রা শুরুর পর ২৯ এপ্রিল প্রথম মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার বাসিন্দা মো. খলিলুর রহমান (৭০) ছিলেন প্রথম মৃত ব্যক্তি।
এরপর পর্যায়ক্রমে আরও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে দেশের বিভিন্ন জেলার বাসিন্দাদের মধ্যে।
নিহতদের তালিকা
নিহতদের মধ্যে চাঁদপুর জেলার তিনজন আছেন : মতলবের আ. হান্নান মোল্লা (৬৩), কচুয়ার বশির হোসাইন (৭৪), ফরিদগঞ্জের শাহাদাত হোসেন।
অন্যান্য নিহতদের মধ্যে রয়েছেন :
ঢাকার মোহাম্মদপুরের শাহজাহান কবির (৬০), কিশোরগঞ্জের ফরিদুজ্জামান (৫৭), পঞ্চগড়ের আল হামিদা বানু (৫৮), জামালপুরের হাফেজ উদ্দিন (৭৩), চট্টগ্রামের অহিদুর রহমান (৭২), গাজীপুরের জয়নাল হোসেন (৬১), রংপুরের সাহেব উদ্দিন, জয়পুরহাটের মোস্তাফিজুর রহমান (৫৩), মাদারীপুরের মোজলেম হাওলাদার (৬৩), গাজীপুরের আবুল কালাম আজাদ (৬২), পুবাইলের মফিজ উদ্দিন দেওয়ান (৬০), সৈয়দপুরের জাহিদুল ইসলাম (৫৯), ঢাকার কেরানীগঞ্জের মনোয়ারা বেগম মুনিয়া, খুলনার শেখ মো. ইমারুল ইসলাম, নোয়াখালীর মুজিব উল্যা এবং গাইবান্ধার খায়রুল বাসার মন্ডল।
এ বছরের হজযাত্রার প্রথম ফ্লাইট সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায় ২৯ এপ্রিল, এবং শেষ ফ্লাইটটি ছিল ৩১ মে।
ফিরতি যাত্রা শুরু হয়েছে ১০ জুন থেকে। ওই দিন সকালে সৌদি এয়ারলাইন্সের এসভি-৩৮০৩ ফ্লাইটে প্রথম দফায় ৩৭৭ হজযাত্রী দেশে ফিরেছেন।
হজের ফিরতি ফ্লাইট চলবে আগামী ১০ জুলাই পর্যন্ত।
হজে গমনকারী প্রত্যেকের জন্য স্বাস্থ্যসেবা ও সচেতনতা বিষয়ক ব্যবস্থা জোরদার করার দাবি জানাচ্ছেন অনেকেই,
যেন ভবিষ্যতে এমন মৃত্যুর সংখ্যা কমিয়ে আনা যায়।

